অভিমানের পাহাড় ছুঁয়েছে ভেজাচোখ-
স্মৃতির প্রতিটা ভাঁজেও জমেছে বেশ ক’ফোঁটা,
কিন্তু তোমাকে কিছু বলবো না।
না বলা অভিযোগে ভরে গেছে ডাকবাক্স,
ডাকপিওনকে বলেছি চেনা পথে ফিরে যেতে-
তোমার কাছে তবু ফিরবো না।
দেরাজে পড়ে থাকা কথার টুকরোরা আমারই থাক-
একান্ত আপন রহস্য হয়ে,
কেউ জানবেও না একদিন তুমি ছিলে।
মনখারাপের যতো দুঃখ-যতো যন্ত্রণা,
পাঁজরের হাহাকার ছুঁয়ে যাওয়া যতো নোনাজল
বাষ্প হয়ে উড়ে যাক, কাউকে বলবোনা-
এক রমণী করে ছিলো কতটুকু অধিকার!
ভুল রিঙটোনের ড্যাশবোর্ডে-
কোন প্রশ্ন লিখবো না,
জানতেও চাইবো না, কেমন আছো, কোথায় আছো?
জিজ্ঞেস করবো না, কি করলে সারাটা দিন?
কে ডেকে দিলো কাকজোছনা ভোরে?
অযাচিত প্রশ্নের ঘুলঘুলিতে বিরক্ত করবোনা-
পুঞ্জিভুত যতো অভিমান হৃদয়ের কার্নিশে শুকোক,
সময়ের তোরঙ্গে তোলা স্মৃতিগুলো সাক্ষী হোক-
ডায়েরির পাতায়, ক্যালেন্ডারের দাগে।
যতোটা বলতে চেয়েছি-শুনেছি তারচে বেশি,
ফেস্টুন টাঙ্গিয়ে করেছো আপন সুখের গল্প-
চিলেকোঠায় লুকিয়ে রাখা অ-সুখ স্পর্শ করেনি।
সম্পর্কের একটা নাম ছিলনা বলে কিছু বলোনি-
মিনিটের কাঁটা গুনে গেছি অপেক্ষার গ্যালারীতে,
অভিমান যতো, তাও ফিরে গেছে হাটুরের পায়ে।
নিজের কাছে ক্ষুদ্র হয়ে কতবার জানতে চেয়েছি-
তুমি বললে ইন্টেরোগেশন,
যদি জানার আগ্রহে স্পেসের অভাব হয়
যদি জানার আগ্রহে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়
যদি তোমার শ্বাস ফেলতে কষ্ট হয়-
তবে এই নাও, দিলেম হৃদয় উজার মুক্তি!
