কখনও শূন্য পৃষ্ঠা বলে যায় অনেক গভীর,
হয়তো কলমের দাগ যতোটা বলতো-
তারচেয়েও বেশি কিছু,
লিখে রাখে।
আর স্বাক্ষর!
সেতো একটা চিহ্ন মাত্র!
এনআইডি’র ডাটাবেজে ঝুলে থাকা স্বপ্ন-
তারচে অধিক কিছু তো নয়!
মেঘ, ভাষার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে,
প্রেমিকের সব অনুভূতি মেলে দিতে পারে-
দেরাজে এতোটা আছে কী!
কিছুকিছু শব্দ রয়ে গেছে অনাবিষ্কৃত-
এখনও,
সাগরের গভীরে লুকোনো ঝিনুক যেমন!
তুমি তো জানো ঝিনুক মানে জমাটবদ্ধ অনুভূতি,
আর মুক্তো!
সেতো তোমারই ছুঁয়ে যাওয়া বিশালতা-
বেঁচে থাকবার এক চিলতে উঠোন।
ওসব বরং তোরঙ্গেই তোলা থাক-
এসো অন্য কিছু বলি,
এই যেমন ধরো আমি-
আমার কতোটাইবা বুঝে গেছো তুমি!
অথচ হয়তো আমি-
হয়তো আমি ছুঁয়ে গেছি তারচে বেশি!
অথচ তোমার চিবুকের টোল জানে সময় কতোটা স্থির!
কপোলের তিল জানে আমি কতোটা অস্থির,
আর দিগন্ত বিস্তৃত হাসির রেখা জানে-
আমার কতোটা জুড়ে তুমি!
তোমার চোখের গভীরে আমার অস্তিত্ব-
বেঁচে থাকার ছুতো খোঁজে রোজ,
পোস্ট অফিসের সামনে পড়ে থাকা ডাকবাক্স জানে
একলা থাকার অনুভূতি-
একাকীত্ব কতোটা পোড়ায়!
অঘ্রানের পাতাঝরা বিকেলে-
কখনো একলা হলে নিজেকে জিজ্ঞেস কোরো,
তোমার পোড়া চোখ জানে একদিন আমিও ছিলাম-
আমাদের সমস্ত না থাকা জুড়ে।
