মেঘের রূপোলী রেখায় নিঃসঙ্গ চিলের হাহাকার-
মধ্য দুপুরের করুন কন্ঠ তোমাকে স্পর্শ করেনা জানি,
ছাদের কার্নিশে বিষন্ন শালিকের চোখ-
ডাহুকের ম্লান আহাজারি তোমাকে কখনো ছুঁতে পারেনি,
জমাট নিস্তব্ধতায় প্রেমিকের ডুবে থাকা, বিষন্ন আবেগ-
তাও স্পর্শ করেনা জানি।
তুমি প্রেমিকের চোখে জল দেখতে ভালোবাসো,
অথচ তুমি জানোনা কতোটা কঠিন বিরহে-
চোখ যতোটা কাঁদে, হৃদয় কাঁদে তারচে বেশি।
তোমার সম্মুখে বসে অবেলার সংলাপে যতোটা কেঁদেছি-
আক্ষেপের সমুদ্র বুকে যতোটা ফেলেছি নোনাজল!
বালিশের চোখ জানে-
তারচে বেশি ফেলেছি যখন আমি একাকী।
মেঘ, বিষাদের দিন চলে যায়-
মুছে যায় বুকের পাঁজরে লুকিয়ে থাকা হতাশার গান,
নোনাজলে আর্দ্র দীর্ঘশ্বাস! তাও ক্ষীণ হয়ে আসে জানি-
শুধু রেখে যায় স্পর্শের নুড়ি-পাথর, শুকনো জলের রেখা,
তৈমুরের ঘোড়ার ক্ষুরের মতো কখনো কথার কষাঘাতে-
হৃদয় রাজ্যপাট ফেটে চৌচির অথচ-
কারো বুভুক্ষু চোখ নাগাল পায়না তার!
তুমি বায়সের বাইরেটা দেখেছো-
দেখেছো কী তার সঙ্গী হারানোর শোক?
তোমাকে হারানোর শোকে আমি কাঁদতে পারিনি
যখন তোমার সাথে প্রতিটা সাক্ষাৎ মানে শোক-
প্রত্যাখ্যানের নিষ্ঠুর গল্প!
আর্যা, তোমার কাছে প্রেমিকার ঊষ্ণতা না
মাতৃস্নেহ চেয়েছিলাম, চেয়েছিলাম-
কেউ একজন মাথার চুল নেড়ে দিয়ে বলুক-
তোমার চোখে ঘন ডার্ক সার্কেল! এতো রাত জাগো!
তুমি খুব কালো হয়ে গেছো আকাশ।
