ভালোবেসে একদিন গড়েছিলাম যে সৌধ-মিনার,
পিসার হেলানো টাওয়ারের মতো তা নুয়ে যেতে যেতে
ছাইভস্মের মতো মিশে গেছে চোখের নোনাজলে,
চিতার ঘৃতকাষ্ঠে রেখে গেছে টুকরোরা, কিছু দীর্ঘশ্বাস!
সময়ের জলছাপে নির্লিপ্ত নারী ভালোবাসেনি
গ্রন্থিমোচনে তার ছিল কিছু রাঙতা সংলাপ,
আমি দেখেছি একটা মানুষ কীরকম গ্রানাইট!
নরম পলল কর্ষণ করে যে চারাগাছ বুনেছিলাম-
তা শেকড়ে-বাকলে ছড়িয়েছিল বিস্তর
কিন্তু ফলবতী হয়নি,
পাঁজরের আঁকশিতে যে নুড়ি কুড়িয়েছিলাম
তা দানা বেঁধে গড়েনি মমতাময়ী কোন নারীর অবয়ব,
আমি দেখেছি একটা পাললিক মুখ কীরকম গ্রানাইট
তার আবছায়া চোখে পৃথিবীটা ম্লানায়মান ছায়ার মতোন!
চৈত্রের দগ্ধ অমানিশায় হৃদয়ের পোড়ামাটি খুঁড়ে
ভালোবাসার যে নির্যাস খুঁজে পেতে চেয়েছি-
তাতে ছিলনা অমৃতের সন্ধান,
হলাহল মেখে আমি তাই প্রকৃতির সন্তান, আমি-
ঝলসানো হৃদপিন্ডের কাছে শিখে নিয়েছি আদিম পুস্তক,
নির্বাসনে শিখে গেছি একটা মানুষ কীরকম নক্ষত্রের মতোন
সরীসৃপের পিঠে তার দূরে সরে যাওয়া!
