এভাবে তোমার অপচয়!
জানালার চৌকাঠ বেয়ে মৃত আকাশ সঙ্গে করে-
শিলা’র মতো ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া!
এ আমি আর নিতে পারছিনা রওনক-
তুমি বরং আমাকে শাস্তি দাও।
তোমার চোখের কোটরে কালের স্বাক্ষী তরুবর,
মাটির মায়া ঝুরির সাথে সংসার পেতেছে ঠিকই-
শেকড়ের আগ্রাসী ঠোঁট অন্তঃসলিলা খুঁজে পায়নি।
জমাটবদ্ধ চোখের মণি আজ অঘ্রানের শুকনো পাতা-
চিলের পাটকিলে ডানায় একদিন যেমন স্বপ্নরা মরে যায়।
মহাকর্ষ শক্তির হেরফেরে নোনাজল শুকিয়ে আজ-
চৈত্রের পাথার! যেন কাঁদতেও ভুলে গেছে।
চুলের জুলফি ছুঁয়েছে শরতের কাশফুল,
মুথা ঘাসের বনে এক সহস্র মুনিয়া-
আজো চিলেকোঠায় অনাঘ্রাত স্পর্শের কথা বলে।
রেললাইনের মতো পাশাপাশি শুয়ে পথচলা-
কতো কাছে! তবুও ছোঁয়ার কতোটা দূরত্বে!
হুইসেলের করুন কন্ঠে ভিজে আজ এতোটাই দূরত্বে-
যেখান থেকে ফিরতে হলে আরেকবার জন্ম নিতে হয়,
রওনক, দূরত্ব শুধু দূরত্বই বাড়ায়, কাছে টানে না।
তবুও, প্রশ্নটা আরেকবার করতে চাই-
উত্তর দেবে! বরাবরের মতো হেসে উড়িয়ে দিওনা, প্লিজ!
তোমার মুখ থেকে তবু শুনতে চাই, যদিও-
দিনশেষে মানুষ ফিরে যায় তার নির্জনতার কাছে
একান্ত আপন, তবুও, শুনতে খারাপ লাগবেনা জানি।
কখনো ভালো বেসেছিলে?
