এক জীবনে যতোটা দুঃখ আছে-
যতো টুকু বরাদ্দ আছে এই রুক্ষ ললাটে
তার সবটা এবার বুঝে নেবো কড়ায় গন্ডায়,
দুখের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না
সমুদ্র মন্থন করে সব বিষ ধারণ করে হবো নীলকন্ঠ,
শোক ও মনস্তাপের পাংশুটে বিকেল উড়ে যাক-
কাশফুলের মতো ছড়িয়ে পড়ুক ভালোবাসা।
লতা-গুল্মে পরিপূর্ণ হোক তোমার বৃক্ষের সংসার-
লাউডগা সাপের স্নিগ্ধতার মতো যৌবনবতী হয়ো,
ফলবতী হোক অঘ্রানের নিকোনো উঠোন-
নিষাদ যুবকের স্বেদবিন্দু ছুঁয়ে যাক অযুত বিবমিষা,
অর্বাচীন চোখ মাঝে বরফ গলা নদী, টলটলে অফুরান-
তোমার আঙিনায় আমি রোজ স্বপ্ন শুকাই,
চোখ, তুমি ঘুম হয়ো মনখারাপের রাতে।
আমার বুকে এক সমুদ্র নোনাজল-
ঘড়ায় তোলা জলের স্নেহে একটু একটু করে পান
পাখির চোখে আকাশ দেখি যতোটা দেখা যায়,
যতোটা ধারণ করতে পারে শালিকের চোখ-
তোমার চোখেও তো আজ পাখির কলতান,
পাখিরাও নাকি আজ বিশ্বাসঘাতক, মানুষের মতো-
অভিনয় করতে শিখে গেছে।
