এই যে আমি একলা পথিক, পথের সাথে আয়ু বেঁধে-
স্বপ্ন শুকাই কার জানালায়! মেঘের দুপুর ভিজে হাওয়া
আবেগ নদী বুকের ভেতর, উথালপাথাল খেলা করে,
এমন দিনে সঙ্গী হতে, মন দুপুরে সঙ্গ দিতে-
চুলের ভাঁজে ঘ্রাণ খুঁজবার, পায়ের মাপে পথ চলবার
হাত ধরবার সঙ্গীটি নেই।
ক্লান্ত দু’চোখ প্রজাপতি, যতটুকু ধারণ করে-
ততোটুকু আপন ভেবে-কোমল স্নেহে জেনেছি যাদের
তারা ছিলো সহযাত্রী, রেলের যেমন যাত্রী থাকে,
প্ল্যাটফর্মে প্রথম দেখা, এটা সেটার টুকরো কথা-
প্ল্যাটফর্মে যায়-নেমে যায়, নিজের ছায়া সঙ্গী করে,
রেল লাইনের সমান্তরালে, বিন্দু হয়ে-
কোথায় যে যায় কেউ জানেনা।
নিদাঘ বেলার গভীর বাতাস, ঘুলঘুলিতে ফিরে আসে-
কথা বলে নির্জনতার! অভিসারের মূক ইশারা
দীঘির জলে মাছের মতো, হাত ছাপাইএর খেলা করে,
আমি কি এক নিঃস্ব বকুল! লক্ষ মুখের কোলাহলে-
একজোড়া চোখ কোই খুঁজে পাই,
যে আমার জমিয়ে রাখা, খুচরোগুলো বুকের ভেতর-
তুলে রাখবে রঙিন শিকেয়, হাজার পাঠের চিঠির মতোন!
এই যে আমি একটা মানুষ, পথ চলছি পথের নেশায়-
পাখির চোখে আকাশ দেখি, নদীর জলে স্বপ্ন বাঁধি
কতো মায়া পাখির ঠোঁটে,
মনখারাপের একলা বিকেল, ভালোবাসার আর্দ্র বুকে-
চিবুক ছুঁয়ে কেউ বলেনি
পাগল মানুষ! এই ক’টা দিন ক্যামন ছিলে!
