মাত্র একটি বার

কবিতা এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
মাত্র একটি বার

কফিশপের স্মোকিং জোনে যে ছেলেটা বসে আছে

তার দৃষ্টিতে গাভীন বরষার মেঘ,   

বুদ্ধের অখণ্ড মৌনতা নীলকন্ঠের মতো ধারণ করে- 

কফির ডিসপোজেবল কাপে তাকিয়ে থেকে   

সময়ের ক্যানভাসে যে ছাইয়ের সৌধ গড়েছে,   

       একটু আগেও সে আমার প্রেমিক ছিল।


দেরাজে পড়ে থাকা খুচরো'র মতো কথার কিছু টুংটাং,   

বীণার ছিন্ন তারে জমে থাকা ধূসর অভিমান যতো- 

শেকড়ে-বাকলে ছড়িয়ে যেদিন সে পুরো চরাচর ঢেকে দিল 

আমি সেদিনও তাকে কিছু বলতে পারিনি,    

প্রবল অভিমানে বিকেলের ছায়ার মতো সরে গেছি শুধু   

তটরেখার বন্ধন থেকে নুড়ির টুকরোগুলো যেভাবে সরে যায়।


অভিমানের সহস্র টুকরো যখন চিবুকে শুকায় 

অবহেলা মানে যখন জলের শুকনো রেখা- 

সম্পর্কটা ঠিক তখনই ঠুনকো শলাকার মতো ভেঙ্গে গেল, 

গুনে গুনে আমাদের দুশো আটষট্টি দিনের ভালোবাসাবাসি,

ও যা বলেছে তারচে একদিন কম, ও যাইই বলুক- 

প্রেমের আহবানের একদিন পর আমি সাড়া দিয়েছিলাম।


অথচ ও যদি একবার মুখ তুলে তাকাতো!  

তাহলে দেখতে পেতো একটা মানুষ ডাহুকের মতো একা,

ও যদি একবার! মাত্র একটিবার পূর্ণ দৃষ্টি মেলে তাকাতো!    

তাহলে দেখতে পেতো প্রবল অবহেলায় কেউ কেউ- 

শামুকের মতোন নিজের ভেতরে কীভাবে গুটিয়ে যায়!

ও যদি ভুল করেও ফিরে তাকাতো! মাত্র একটি বার!!



পোস্ট ভিউঃ 20

আপনার মন্তব্য লিখুন