শেষের খুব কাছে
শেষের খুব কাছে
বিশ্বাসটাই যদি জটিল ঘূর্ণাবর্তে বিলীন তবে- লোকনিন্দার ভয়ে কেন এতো লুকোচুরি! পেঁয়াজের খোসার মতো কেন গল্পের প্রলেপে গল্প!

বন্ধনহীন গ্রন্থি

ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি
ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি
একেকটা দিন তুমি ছাড়া মানে পাখি বিহীন সকাল, বুকপকেটে ঘুণপোকার সাথে আড়ি পেতে- কবরের জমাট মিশকালো নিস্তব্ধতায় বুঁদ হয়ে থাকা।

বন্ধনহীন গ্রন্থি

নীরবতার আরেক নাম অবহেলা
নীরবতার আরেক নাম অবহেলা
ঘরের দেয়ালে ঝুলে থাকা ক্যালেন্ডারের পাতা কিংবা রাতজাগা ঘড়ির কাঁটা জানে, জানে আমার দিকে চেয়ে থাকা সরীসৃপের চোখ- কতবার মৃত্যুর দিকে এগোতে গিয়েও আমি থেমে গেছি।

বন্ধনহীন গ্রন্থি

নদীর কাছে ভালোবাসতে শিখেছিলাম
নদীর কাছে ভালোবাসতে শিখেছিলাম
ঝর্ণার নিটল জলে পা ডুবিয়ে তোমার কথা ভেবেছিলাম, তুমি তো জানো ঝর্ণা মানে পাহাড়ের ক্ষয়ে যাওয়া কষ্ট- বৃষ্টির রেণুর সাথে যা মিশেছিলো, কিংবা ধরো-

বন্ধনহীন গ্রন্থি

তোমাকে খুঁজে পেতে আমি কিনা করেছি
তোমাকে খুঁজে পেতে আমি কিনা করেছি
শুধুমাত্র তোমাকে পাওয়ার জন্য- চিবুকের চাহনি-ব্যক্তিগত ভাষা-রকের আড্ডা চলার ভঙ্গি বদলেছি, ভুল যা ছিলো শুধরেছি। তোমাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য কিনা করেছি! আমার ঈশ্বর জানেন, আমি কিই না করেছি।

বন্ধনহীন গ্রন্থি

আমি ভালো আছি ফিউশন
আমি ভালো আছি ফিউশন
যদি কখনো শ্রাবণ ভেজা দিনে- বৃষ্টির ছাঁট এসে ভিজিয়ে দেয় চোখের কোমল পাতা, যদি জানালার চৌকাঠ বেয়ে জুলফিতে মিশে যায় বেলী দোলন চাঁপা কিংবা হাস্নাহেনার ঘ্রাণ তবে বুঝে নিও আমি ছিলেম কাছেপিঠে কোথাও।

বন্ধনহীন গ্রন্থি

আমি ভালো আছি
আমি ভালো আছি
যদি আচম্বিতে কখনো দেখা হয়- যদি কখনও দেখা হয়েই যায় পথের মাঝে, হৃদয়ের পোড়ামাটি খুঁড়ে জিজ্ঞেস কোরোনা কেমন আছি শুধু চোখের কোনের জমাট বাষ্প দেখে বুঝে নিও আমি ভালো আছি।

বন্ধনহীন গ্রন্থি

পদচিহ্ন
পদচিহ্ন
কতোটা শূন্যতা যে রেখে গেলে তুমি জানলেও না। জানলার গরাদে চিবুক ঠেকিয়ে বুঝে নিয়েছিলাম শুধু আমার জন্য রেখে গেছো তোমার পদচিহ্ন।

বন্ধনহীন গ্রন্থি