শুভাগত আমার বন্ধু
শুভাগত আমার বন্ধু
আমি নিজেই তো পত্রিকার পাতায় হেডলাইন দেখে- মর্গে ছুটে গিয়েছিলাম, ছিয়ানব্বই বর্গফুটের ঘরটায় ও শুয়েছিল, ওর লোহার মত শক্ত হয়ে যাওয়া মুষ্টিবদ্ধ হাত মৃত্যুর ওপারেও যেন শ্রেণী সংগ্রামের কথা বলছিল।

নিষিদ্ধ ইশতাহার

শুভাগত ভালো আছে
শুভাগত ভালো আছে
শুভাগত মনেপড়ে! পুজোর ছুটিতে আমরা- দশোহরার মেলাতে যেতাম! মাসি আঁচলের গেরো খুলে আধুলি-সিকি হাতে গুঁজে দিতেন আর তা দিয়ে আমরা বাতাসা-সন্দেশ-গজা আরও কীকী সব কিনে খেতাম! তারপর-

নিষিদ্ধ ইশতাহার

শুভাগত ফেরেনি
শুভাগত ফেরেনি
সন্ধ্যার পাটকিলে আলোয় দাড়িভরা মুখে ওকে বেশ রহস্যময় পুরুষের মতো লাগছিল, অনেকটা বেদ-উপনিষদের পাতা থেকে উঠে আসা ঋষিদের মতোন।

নিষিদ্ধ ইশতাহার

লাশ কাটা ঘর
লাশ কাটা ঘর
দু’চোখে স্বপ্ন মেখে ও শুয়ে আছে সারাটা রাত- এখন দুপুর পেরোতে চললো, জানি না ওর জমাট মণিতে কি স্বপ্ন সেঁটে আছে!

নিষিদ্ধ ইশতাহার

বেওয়ারিশ লাশ
বেওয়ারিশ লাশ
সেই যে নরম হাতের ফর্সা একহারা গড়নের ছেলেটা! ওর বুকে এতো স্বপ্ন! এতো দ্রোহ! এতো দহন ও কোথায় পুষে রেখেছিল?

নিষিদ্ধ ইশতাহার

শুভাগত হোম
শুভাগত হোম
শুভাগত হোম আমার বন্ধু, পিঠে বইভর্তি ক্যাম্বিসের ব্যাগ রোজ প্যাডেল মারতে মারতে ইসকুলে আসতো, বসতো একদম পেছনের সারিতে চিবুকে কাটা দাগ, ফর্সা-চুপচাপ ছেলেটা কখনো পড়া পাড়তো, কখনো পাড়তো না কখনো কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতো বেঞ্চের ওপর

নিষিদ্ধ ইশতাহার

কয়েদী নম্বর ৯২৭
কয়েদী নম্বর ৯২৭
আমার নিখোঁজ সংবাদে হয়তো ছেয়ে যাবে ফেসবুক- মাঝরাতের টক শো শেষে পকেটের টুংটাং খুচরো, প্রতিবাদের মিছিল, সংঘাত কিংবা বিক্ষোভে ফেটে পড়া, মানবিক পুলিশের লাঠিচার্জ এবং নতুন কিছু মামলা।

নিষিদ্ধ ইশতাহার

বিবর্ণ সময়
বিবর্ণ সময়
একপাল দানবের হিংস্র লালসার মুখে জীবন বিলিয়েছে অসহায়ে যারা- বাঁচার প্রবল আকুতি – মুঠো ফোন – সংক্ষিপ্ত বার্তা, সবি আজ রুদ্র ইতিহাস।

নিষিদ্ধ ইশতাহার