কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"অভিমান" কবিতাটি বিশ্বকবির চেনা পথগুলোর পাশাপাশি এক নাম না জানা গাঁয়ের নিখাদ ভালোবাসা আর মিষ্টি অভিমানের গল্প। শিলাইদহ, শাহজাদপুর কিংবা দক্ষিণডিহি পর্যন্ত কবিগুরুর অগাধ বিচরণ থাকলেও তিনি কখনো পা রাখেননি ‘খঞ্জনী’ নামের এই স্বর্গীয় গাঁয়ে। বউঠাকরুন নামে হাটখোলা, ‘বলাকা’ নামের টকি হাউস কিংবা ইছামতী খালের সাঁকো পেরিয়ে শান্ত মন্দিরটি যেন রবি ঠাকুরের পথ চেয়েই অপেক্ষা করে গেছে আজীবন। গাঁয়ের রূপ-রস আর মানুষের আবেগ যেন ধ্রুব সত্য হয়েও বঞ্চনার এক মিষ্টি হাহাকারে ভেসে যায় বারবার। কবিগুরুর প্রতি এক অজ পাড়াগাঁয়ের নিভৃত ভালোবাসা ও অভিমানের এই রূপকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরদী ও অমলিন কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। গ্রামীণ সৌন্দর্যের এ সরল আকুতি ও মিষ্টি অভিমান অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৪

"ঝরাপাতার সংলাপ" কবিতাটি প্রকৃতির রূপকে নির্জন নীরবতা, বিচ্ছেদ বেদনা আর হৃদয়ের প্রচ্ছন্ন অভিমানের এক চিরন্তন আখ্যান। হেমন্তের হাওয়ায় পুরানো পাতা খসে পড়ে ঘাসের বুকে ঠাঁই নেওয়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক বেদনাময় বিদায়গাঁথা—যার খবর কখনো মাদার-বৃক্ষ কিংবা নতুন পাতার নতুন ভোরে রাখা হয় না। মানুষ মুখে যতটুকু প্রকাশ করে, অন্তরালে নিভৃতে সয়ে যায় তারচেয়েও অনেক বেশি জখম আর অনুচ্চারিত হাহাকার। ভালোবাসায় মাঝেমধ্যে নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে মুখর ভাষা, আর অপেক্ষার রাতগুলো সাক্ষী দেয় অভিমানের নীলাভ ও সুগভীর অনুভূতির। প্রবীণ ঝরাপাতার বিদায় ও নিস্তব্ধতার সেই চিরন্তন সুরকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরদী ও মায়াবী কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। নীরবতার নিজস্ব ভাষা আর গভীর ভালোবাসার এ কাব্যাবেশ পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।ক্ষার বিষাদ ও ব্যাকুল আকুতির এই চিরন্তন কাব্য রূপায়নটি শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ২

"বিস্তীর্ণ শ্মশানে বিপন্ন প্রজাপতি এবং কয়েকটা দানব" বর্বর পাশবিকতা, বিপন্ন মানবতা আর স্বাধীন পতাকার অবমাননার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এক তীব্র ক্ষোভের প্রতিচ্ছবি। নিঃসঙ্গ শ্মশানের আঁধারে এগারোটা দানবরূপী মানুষের জান্তব উল্লাস, অসহায় মায়ের করুণ আকুতি আর কিশোরী মেয়েটির নিষ্পাপ শরীর চূর্ণ হওয়ার ট্র্যাজেডি কেঁপে ওঠে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র। এটি কেবল একটি মেয়ের সম্ভ্রমহানি নয়, বরং রক্তের বিনিময়ে কেনা পবিত্র স্বাধীনতা ও মানচিত্রের বুকেই এক পৈশাচিক আঘাত। দানবীয় সাম্প্রদায়িকতা আর পাশবিকতায় পুড়ে যাওয়া আইনশৃঙ্খলা ও বিপন্ন প্রজাপতির এই বুকফাটা আর্তনাদকে আবৃত্তিশিল্পী অমিতাভ দত্ত তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বজ্রকণ্ঠের উচ্চারণে চরম প্রতিবাদী মাত্রা দিয়েছেন। লজ্জা, ক্ষোভ আর মানবতার করুণ এই আর্তনাদ অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জুলাইয়ের রাজপথ
ভিউস: ৩

"কবি মেয়েটির সাথে কফি খেতে চেয়েছিলেন" কবিতাটি ফরমালিনে ডুবে থাকা এই যান্ত্রিক শহরের এক নিঃসঙ্গ কফিশপে ঘটে যাওয়া নীরব ট্র্যাজেডির আখ্যান। ব্ল্যাক কফির সাথে ব্রাউন সুগার মেশানোর ব্যাকুলতা কিংবা মুখোমুখি বসে একটিমাত্র কবিতার বই পড়ার যে চিরন্তন সাধ—তা শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় এক শূন্য পেয়ালা আর স্তব্ধতায়। মেয়েটিকে প্রতিদিন ভালোবেসে যাওয়ার পাগলপনাই ছিল কবির একমাত্র অভ্যাস, যার শেষ পরিণতি চেয়ারে ঢলে পড়া এক অমর কিন্তু নিথর কবিদেহ। যে ওষ্ঠে কফির শুকনো দাগের সাথে লেগে ছিল প্রেয়সীকে ছুঁয়ে দেখার শেষ বাসনা, সেই প্রেম আর শোকের বার্তা যেন এ শহরে হারিয়ে গেছে ফরমালিনের কৃত্রিমতায়। কবির এই গভীর হাহাকার ও না-পাওয়ার মৃত্যুকাব্যকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বিষাদময় কণ্ঠে অনবদ্য রূপ দিয়েছেন। ভালোবাসা ও মৃত্যুর এই শান্ত ব্যাকুলতা অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৩

"দক্ষিণের জানালা" কবিতাটি অতীতের সোনালি দিন, মায়াবী শৈশব আর হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার করুণ আখ্যান। ড্রেসিংটেবিলের কোণে পড়ে থাকা সুগন্ধি তেল, কাঠের কাঁকই কিংবা চিলেকোঠার মরচে ধরা কপাট সাক্ষী দেয় সেই চিরচেনা রূপোলী বিকেলের, যখন প্রিয়জনের একপলক দেখার আশায় দক্ষিণের জানালা খোলা থাকত। ‘রওনক দা’ নামের প্রিয় মানুষটির অনুপস্থিতিতে থমকে গেছে চেনা পৃথিবী—ডাকপিওনের হাঁক, গোপনে রিকশা আটকে ভালোবাসার প্রকাশ কিংবা ছাদের কার্নিশের মধুর স্মৃতিগুলো আজ কেবলই অতীত ফসিল। ফেলে আসা স্মৃতিগুলো আজ ডাকাতের মতো তাড়া করে ফেরে, নিঃস্ব করে দেয় একলা হৃদয়কে। ভালোবাসার এই গভীর হাহাকার ও স্মৃতিকাতরতাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরদী ও মায়াবী কণ্ঠে অনন্য মাত্রা দিয়েছেন। অতীতের পানে হেঁটে যাওয়া সেই না-পাওয়ার ব্যাকুলতা অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৫

"নীরবতার আরেক নাম অবহেলা" প্রতিনিয়ত উপেক্ষিত হওয়ার অমানবিক যন্ত্রণা, চরম একাকীত্ব আর নীরবতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবহেলার করুণ আখ্যান। পছন্দের মানুষের ফোনের এগারোটা ডিজিট মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা কিংবা সেন্ট হেলেনায় নেপোলিয়নের নির্বাসনের চেয়েও ভয়ংকর নীরবতার প্রাচীরে আটকে থাকার কষ্ট উঠে এসেছে এই কবিতায়। অবজ্ঞার বিষে আচ্ছন্ন হয়ে ক্লাস্ট্রোফোবিয়া আক্রান্ত রোগীর মতো শ্বাসরুদ্ধকর এক অনুভূতি থেকে ঈশ্বর ও নিয়তির কাছে কেবলই আকুল মুক্তি প্রার্থনা। মৃত্যুর উপত্যকা থেকে ফিরে আসা আর অবহেলার হিমশীতল স্তব্ধতায় নিঃশেষ হতে থাকা প্রেমিকের এই করুণ যন্ত্রণাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর ও আবেগাপ্লুত কণ্ঠে অনবদ্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। নীরবতার যন্ত্রণাদগ্ধ রূপ ও মুক্তির ব্যাকুলতা অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৩

"একাকীত্ব" কবিতাটি প্রিয়জনের প্রতি অপার সমর্পণ, বারবার প্রেমে পড়ার অমোঘ নেশা আর গভীর নির্জনতার গল্প। শতবার ভুলে যাওয়ার বা দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেও সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসের মতো বারবার নিঃস্ব হতে ফিরে আসার এক অদ্ভুত আত্মনিবেদন ফুটে উঠেছে এই কাব্যাখ্যানে। শাড়ি আর জোছনার মতো আচ্ছন্ন করে রাখা প্রেয়সীর ভাবনায় বুঁদ হয়ে থাকা প্রেমিক হৃদয় যেন প্রিয়তমার কাছে এসেই ভিক্ষুকের মতো পূর্ণতা খোঁজে। দিনের কোলাহল শেষে রাতের নিঝুম আঁধারে জ্বলতে থাকা একলা ল্যাম্পপোস্টটির মতোই বেঁচে থাকে তাঁর একাকীত্ব। ভালোবাসার এই অমলিন টান আর নিভৃত নিঃসঙ্গতাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরদী ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। নিঃস্ব হওয়ার এই মায়াবী নেশা ও একাকিত্বের গভীর অনুভূতি পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ২

"নদীর কাছে ভালোবাসতে শিখেছিলাম" কবিতাটি প্রকৃতির রূপক, সময়ের বহমানতা আর ভালোবাসার সুগভীর দর্শন নিয়ে তৈরি এক অনন্য কাব্যিক আখ্যান। ক্যালেন্ডার কিংবা ঘড়ির কাঁটা দিয়ে কাউকে আটকে রাখা যায় না—সময় কীভাবে অনভ্যাসে স্পর্শের দাগ মুছে দেয়, সেই ধ্রুব সত্যই প্রকাশ পেয়েছে এই কবিতায়। ঝর্ণার বয়ে চলা জল যেমন পাহাড়ের জমে থাকা ক্ষয়ে যাওয়া কষ্ট, তেমনই নদী শেখায় দু'কূল প্লাবিত করা আবেগ আর নোনাজল বুকে পুষে অবিরত ভালোবাসার নামই জীবন। পাহাড়ের স্পর্ধা আর নদীর বাঁকে শেখা ধ্বংস ও সৃষ্টির দ্বন্দ্বে প্রেম কীভাবে এক অনন্ত মায়া হয়ে বেঁচে থাকে, তাই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এখানে। আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরদী ও ভাবগম্ভীর উচ্চারণে এই কাব্যাবেশকে এক মায়াবী রূপ দিয়েছেন। সময়, স্মৃতি ও ভালোবাসার গভীর অনুভূতি ছুঁয়ে দেখতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৩