কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

দীর্ঘ দেড় যুগের ব্যবধান পেরিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে বিপ্লব আর ভালোবাসার স্মৃতিবিজড়িত প্রত্যাবর্তন নিয়ে লেখা কবিতা "ফিনিক্স পাখির খোঁজে"। 'রওনক দা' নামের এক রাজপথের বিপ্লবী প্রেমিকের জন্য জীবনের দীর্ঘ পনেরো বছর নিঃসঙ্গ অপেক্ষা আর অসমাপ্ত সংসারের আকুল হাহাকার ফুটে উঠেছে এই আখ্যানে। মিছিলের রাজপথ, বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থায় শ্রেণিসংগ্রামের মানবিক পাঠ আর 'ভ্লাদিমির' নাম ঘিরে বোনা সাধারণ সংসারের স্বপ্নগুলো আজও হৈমন্তী গাছের নিচে অমলিন। রাজপথের বিপ্লবীরা কখনো নিখোঁজ বা তারাখসা নক্ষত্রের মতো হারিয়ে যায় না—বরং ছাই থেকে জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখির মতোই যুগে যুগে ফিরে আসে। প্রেম, আদর্শ ও বিশ্বাসের এই সুগভীর ব্যাকুলতাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর দরদী ও অনন্য কণ্ঠে অসামান্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অপেক্ষার চিরন্তন বিষাদ আর পরম বিশ্বাসের কাব্যিক সুর অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৬

"ইউথেনেশিয়া" কবিতাটি অখণ্ড বিষণ্ণতা আর নির্মম বাস্তবতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এক নিভৃত কবির নীরব প্রস্থানে গড়া আখ্যান। পুরু লেন্সের চশমা আর কাঁধে ব্যাগ ঝোলানো সেই তরুণ যে শ্রাবণের ধারায় ভিজে প্রেয়সীর ঠোঁটে চুমু আঁকতে চেয়েছিল, জীবনের অজস্র যমটুপির ভিড়ে সে একসময় বেছে নেয় স্বেচ্ছামৃত্যুর নিস্তব্ধ পথ। কাঠের দরজায় কিংবা ডায়েরির পাতায় লেখা অভিমানের চিরকুটগুলো সাক্ষ্য দেয় তার ভেতরে জমতে থাকা এক সমুদ্র নোনাজলের। অ্যাকোনিটাম নেপেলাস পান করে মৃত্তিকার কোলে ফিরে যাওয়া সেই তরুণের এই ট্র্যাজিক পরিণতি ও নিঃশব্দ বেদনাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বিষাদময় কণ্ঠে অনবদ্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। জীবন থেকে কবির এই নিঃশব্দ প্রস্থান আর গভীর অনুভূতির আবেশ পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৫

"দীর্ঘশ্বাস" কবিতাটি নীরবে-নিভৃতে প্রিয়জনের চলে যাওয়া আর হৃদয়ের গভীর প্রকোষ্ঠে জমে থাকা নিঃসঙ্গতার আখ্যান। শুকনো পাতার মর্মর, ঝরা বকুল আর বিকেলের শূন্য আঙিনা পেরিয়ে প্রিয়জন দূরে সরে গেলেও তার অস্তিত্ব আজও থেকে গেছে প্রতিদিনের আট প্রহরের অভ্যাসে। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, জানালার কাচে ছবি আঁকা কিংবা মুঠোফোনে একটা ক্ষদে বার্তার অপেক্ষায় থাকা—সবকিছুর মাঝেই জেগে থাকে চেনা এক হাহাকার। অশ্রু লুকিয়ে রাখার এই ব্যর্থ চেষ্টা আর না-থাকার আড়ালেও পুরোটা অস্তিত্ব জুড়ে কারোর থেকে যাওয়ার এই আকুতিকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে অনবদ্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। নীরব দীর্ঘশ্বাস আর চিরন্তন অপেক্ষার এই বিষাদময় কাব্যরূপ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৩

"এলোমেলো হয়ে যাবো" কবিতাটি অস্বীকৃতি ও প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কায় প্রেমিকের হৃদয়ের প্রলয়ঙ্করী হাহাকার ও ব্যাকুল মিনতির কাব্যিক আখ্যান। ফুজিয়ামা বা পালমিরা দেখা প্রিয়ার অচেনা চোখে এক প্রেমিক হৃদয়ের পুড়ে সোনার মতো খাঁটি হওয়ার দহন ধরা পড়েছে এই কবিতায়। মেঘের মতো প্রিয়াকে ফিরিয়ে না দেওয়ার আকুল আকুতি—নতুবা ধ্বংস হয়ে যাবে প্রেমিকের পৃথিবী, বুকপাজরের নোনাজল রূপ নেবে তপ্ত লাভাস্রোতে। আঙুলে, কাঁধে আর স্পর্শে জড়িয়ে থাকা প্রেয়সীকে হারানোর ভয়ে তাই কবি তৈমুরের ঝড়ের মতো তছনছ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেন। ভালোবাসার এই প্রলয় রূপ ও তীব্র আবেগের ব্যাকুলতাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী শহিদুল ইসলাম পাপ্পু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ভালোবাসার আচ্ছন্নতা আর এলোমেলো হয়ে যাওয়ার এই তীব্র কাব্যরূপ শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৩

"ভুল দরজায় করাঘাত" কবিতাটি অভিমানের পাহাড় চেপে রেখে প্রিয়জনকে নীরব মুক্তি দেওয়ার এক কঠিন অথচ করুণ আত্মত্যাগের দলিল। জমে থাকা অগণিত না-বলা অভিযোগের চিঠিকে ডাকপিওনসহ ফিরিয়ে দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার গভীর ট্র্যাজেডি ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। প্রিয়তমার স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে কিংবা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার সুযোগ দিতে কবি সব অধিকার আর প্রশ্ন তুলে নিয়ে হৃদয়ের সমর্পণ জানান মুক্তির ভাষায়। নামহীন সম্পর্কের চাওয়া-পাওয়া আর মনখারাপের জমানো নোনাজল বাষ্প হয়ে উবে যাওয়ার এই নিভৃত হাহাকারকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় বুনেছেন। আত্মসম্মান আর গভীর ভালোবাসার এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ২

"খুব সামান্য একটা কিছুর জন্য" কবিতাটি অপার ভালোবাসা, তীব্র আত্মদহন আর সামান্য কিছু অনুভূতির টানে নিজেকে হারিয়ে ফেলার করুণ গল্প। ‘লীনা’ নামের প্রিয়তমার প্রতি একবুক তৃষ্ণা, পোড়া মোমের অবদমিত ক্ষত আর শীত-গ্রীষ্মের মানসিক অন্তর্দাহে জর্জরিত এক প্রেমিক হৃদয়ের ব্যাকুলতা এখানে ফুটে উঠেছে। পরিযায়ী বলাকার মতো দিশাহীন ব্যাকুলতায় নিঃস্ব উল্কাপিন্ডের রূপ ধরে ভালোবাসার তীব্র উষ্ণতা খোঁজার আকুল চেষ্টা ধরা পড়ে এ আখ্যানে। কখনো একমুঠো প্রেমের জন্য বুনো মোষের মতো ছুটে চলা, আবার পরক্ষণেই খুব ক্ষুদ্র কোনো কারণে দূরে সরে যাওয়ার টানাপোড়েনকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় উপস্থাপন করেছেন। ভালোবাসার এই তীব্র দহন ও গভীর আকুতি অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৫

"অস্তিত্বে মিশে থাকো তুমি" কবিতাটি নতুনের ভিড়ে পুরনো মুখ হারিয়ে যাওয়ার মেলায় প্রিয়তমার চিরন্তন উপস্থিতি ও গোপন অনুভূতির আখ্যান। রাতজাগা বালিশে জমা থাকা চাপা কান্না, জানালার লোহার গরাদ কিংবা এন্ড্রয়েড ফোনের নীরবতা জানে ভালোবাসার অধরা অপেক্ষার কথা। কপোলের তিল আর চিবুকের টোল সাক্ষী দিয়ে যায় যে—কবির এ আকুলতা কোনো ছেনালি বা অভিনয় নয়, বরং অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকা এক খাঁটি ভালোবাসা। প্রিয়জনের স্পর্শ না পাওয়ার আক্ষেপ আর বুকে জমা অভিমানের প্রাচীরকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও আবেগঘন কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অস্তিত্ব জুড়ে জড়িয়ে থাকা সেই নিবিড় ভালোবাসার গভীরতা অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৬

"স্বপ্ন বাঁধি নদীর জলে" কবিতাটি লক্ষ মানুষের কোলাহলেও বুকজুড়ে জমে থাকা নিঃসঙ্গতা আর হাত ধরে হাঁটার মতো একজন সঙ্গী না থাকার বেদনাময় গল্প। একলা পথচলা পথিক হিসেবে কেবল মেঘের দুপুরে কিংবা নদীর জলে স্বপ্ন বুনে যাওয়া, আর সাময়িক সহযাত্রীদের নেমে যাওয়ার শূন্যতা বয়ে চলাই যেন কবির জীবন। হাজার ব্যস্ততার ভিড়ে এমন এক জোড়া চোখের আকুল তৃষ্ণা—যে ভালোবাসার সুবাসে বুকপকেটে জমে থাকা ক্ষতের সান্ত্বনা হয়ে চিবুক ছুঁয়ে সুধাবে, “পাগল মানুষ! কেমন ছিলে?” পথচলতি এই একাকিত্ব আর গভীর আবেগকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও বিষাদময় কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় বুনেছেন। একলা পথের তৃষ্ণা আর পরম স্নেহের ব্যাকুলতা অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২