কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"প্রতিসরণ" কবিতাটি পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের মতো আলো বদলে যাওয়ার সাথে সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যাওয়ার এক আক্ষেপময় রূপায়ণ। প্রাত্যহিক অবহেলা, জমে থাকা অভিমান আর দূরত্বের দেয়ালে আটকে পড়া সম্পর্কের যান্ত্রিকতাকে তুলে ধরেছে এই আখ্যান। মুঠোফোনে আসা দায়সারা বার্তা আর ফিকে হতে থাকা চেনা ঘ্রাণগুলো স্পষ্ট করে দেয় কীভাবে সময়ের সাথে সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যায়। দিনশেষে দিকভ্রান্ত ঘুড়ির ডানা ভাঙার মতো গভীর অনুভূতির গল্প এটি। দূরত্বের এই ক্ষতের কথা আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সম্পর্কের ফিকে হওয়া আলো-ছায়ার এই খেলা অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৪

"ভালোবাসার গল্প" কবিতাটি কংক্রিটের ব্যস্ত শহরে জমে থাকা গভীর অনুরাগ, নিঃশব্দ খেয়াল রাখা আর ভালোবাসার মায়াবী কোলাহলকে ঘিরে এক মধুর আখ্যান। ইট-সিমেন্টের এই যান্ত্রিক গোলকধাঁধায় সোডিয়াম লাইটের আবছায়া আলো, ফুটপাত কিংবা কফি শপের কোণ—সবই ছিল দুজন মানুষের নিজস্ব এক কাব্যিক পৃথিবী। একে অপরের প্রতি ব্যাকুল দৃষ্টি, স্পর্শের অসীম তৃষ্ণা আর দিনশেষে “নিজের যত্ন নিয়ো” বলার সেই অতি সাধারণ যত্নগুলোর ভেতরেই বেঁচে থাকত খাঁটি প্রেম। শহরের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া সেই মিষ্টি স্মৃতি আর একসময় সত্যি সত্যি ভালোবেসে যাওয়ার তৃপ্তিকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরাজ ও স্পর্শকাতর কণ্ঠে অসাধারণ এক নস্টালজিক আবহে ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যস্ত নগরে ভালোবাসার সেই মিষ্টি লিরিক আর স্মৃতিময় অনুভূতি ছোঁয়া পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

"আর দেখা হবে না" কবিতাটি সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চিরচেনা শহর, ক্যাফে আর অলিতে-গলিতে রয়ে যাওয়া স্মৃতিদের পেছনে ফেলে বিপরীত মেরুর যাত্রী হয়ে যাওয়ার এক বুকচাপা হাহাকার। একসময় যে পার্কের বেঞ্চ, কফি শপের প্রিয় কোণ কিংবা ল্যাম্পপোস্টের নিচে দুটো জীবনের আবেগ জমা হতো, সেখানে আজ অন্য কারও পদচারণা। চেনা শহরটা আগের মতোই আছে, জমে থাকে বাদাম বিক্রেতা কিংবা রেস্তোরাঁর ছেলেটির অপেক্ষা; কেবল বদলে গেছে দুটো মানুষের গন্তব্য। দেখা না হওয়ার এই সুনির্দিষ্ট সত্য আর স্মৃতির ধুলোঝাড়া আক্ষেপকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বিষাদময় উচ্চারণে এক অদ্ভুত মায়ায় বুনেছেন। হারিয়ে যাওয়া চেনা প্রেম আর বিপরীত মেরুতে হারিয়ে যাওয়ার এই করুণ অনুভূতির মুখোমুখি হতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৪

কালো ফ্রেমের চশমা, বইয়ের সুবাস আর হারিয়ে যাওয়া বটবৃক্ষের ছায়ায় বুনে রাখা স্মৃতির প্রতিচ্ছবি—"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি। একসময় যার উপস্থিতিতে ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকত সুর, নাটক আর বইয়ের আনন্দময় জগৎ, আজ সেই মানুষটি নেই; রয়ে গেছে শুধু মায়ের সযত্নে গুছিয়ে রাখা জায়নামাজ, তসবীহ আর বুকের ভেতর খাঁ খাঁ করা শূন্যতা। এক নিঃসঙ্গ বাতাস আর কুয়াশাভেজা আকাশের রূপকে সন্তানের অন্তহীন হাহাকার ফুটে উঠেছে এই আখ্যানে। কবি সুমন সুবহানের এই অমর ভালোবাসার দলিলকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও দরদী কণ্ঠের নিখুঁত বয়ানে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। বাবার স্মৃতির মায়ায় ডুব দিতে এবং পিতৃত্বের চিরন্তন আবেগ অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৪

"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি শৈশব-কৈশোরের দিনগুলোতে ছড়িয়ে থাকা এক অভিভাবকের প্রভাব, গান ও বইয়ের আলো এবং একখণ্ড নিরব কবরের নিথর স্মৃতির নাম। শান্ত দুপুরে বইয়ের পাতায় ঘুমিয়ে পড়া বাবার সেই চেনা রূপ, পুরনো ট্রানজিস্টরের অস্ফুট সুর আর ছুটির দিনে থিয়েটার দেখার আনন্দ—সবই আজ স্মৃতি। জীবনের কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর বইয়ের ভেতরে খুঁজে নিতে শেখানো সেই বাবা আজ নেই, রয়ে গেছে শুধু বাঁশের বেড়ায় ঘেরা একখণ্ড জমি আর কুয়াশা ভেজা নীরবতা। কবি সুমন সুবহানের এই মায়াবী স্মৃতিগদ্যকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে এক অদ্ভুত স্মৃতিতুর আবহে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাবার রেখে যাওয়া অলিখিত উত্তরাধিকার আর বিচ্ছেদের গভীর হাহাকার অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২

"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি মূলত বাবার স্মৃতিমাখা টেবিল, বইয়ের পাতা আর চলে যাওয়ার পর বুকের গভীরে রেখে যাওয়া চিরন্তন শূন্যতার এক মায়াবী আখ্যান। কাঠবাদাম গাছের নিচে শান্ত ঘুমিয়ে থাকা বাবার রেখে যাওয়া চশমা, পুরনো ট্রানজিস্টর আর বই পড়ার অভ্যাস আজও সন্তানকে আঁকড়ে ধরে রাখে প্রাত্যহিক জীবনে। বাবা নেই, কিন্তু রেখে গেছেন জ্ঞান আর সুরের এমন এক আশ্রয়, যা নিঃসঙ্গ রাতগুলোতে আজও আলো ছড়ায়। কবি সুমন সুবহানের এই আবেগঘন রূপকল্পকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর দরদী, সুগভীর ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে এক অনন্য পারিবারিক আবেশে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাবার অভাব আর স্মৃতির সেই কুয়াশাভেজা আকাশের অনুভূতি ছোঁয়া পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২

"অধিকার" কবিতাটি বিচ্ছেদের দীর্ঘ দূরত্ব পেরিয়েও অনুভূতির গভীরে চেনা মানুষের অলিখিত অধিকার ধরে রাখার এক বিষাদময় আখ্যান। ‘রওনক’ চরিত্রের ক্ষ্যাপাটে রাগ, শার্টের খসে পড়া বোতাম, ভুলভাবে টাই বাঁধা কিংবা রমিজ মামার দোকানে চায়ের কাপে আড্ডা—সব ছেড়ে আজ দুজন এক জীবনের দূরত্বে। তবে বিচ্ছেদ হলেও জীবনের প্রাত্যহিক নির্ভরতা আর ভালোবাসার অদৃশ্য আধিপত্য যে মুছে যায় না, সেই ব্যাকুলতা ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কের এই করুণ স্মৃতি আর প্রচ্ছন্ন অধিকারবোধের গল্পকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও দরদী উচ্চারণে এক মায়াবী মাত্রা দিয়েছেন। কাছে না থেকেও মনজুড়ে বেঁচে থাকা সেই অনপনেয় অধিকারের স্বাদ পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

"তুমি এরকমই থেকো" কবিতাটি কাছে আসার সমস্ত আকুলতা চেপে রেখে এক আলোকবর্ষ দূরত্বের ব্যবধানে প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখার এক অদ্ভুত আত্মসংযমী কাব্যিক রূপায়ণ। ‘অনসুয়া’ নামের চরিত্রটিকে উদ্দেশ্য করে লেখা এই আখ্যানে কবি এমন এক স্পর্শহীন দূরত্বের আকাঙ্ক্ষা করেছেন, যেখানে সমাজ একে কখনোই কোনো সম্পর্ক কিংবা নাম দিতে পারবে না। কফির কাপের আড়াল, হৃদয়ের বন্ধ কপাট আর নীরবতার গভীরে লুকিয়ে থাকা এই দূরত্বের মোহ—আসলে প্রচ্ছন্ন এক ক্ষোভ আর গভীর ভালোবাসারই রূপক। কাছে এসে সম্পর্ককে সাধারণ করে তোলার চেয়ে এই ধরা-ছোঁয়ার বাইরের ব্যবধানকেই চিরন্তন করে রাখার করুণ আরতি ফুটে উঠেছে কবিতায়। এই সূক্ষ্ম অভিমান ও আত্মিক অনুভূতির গল্পটিকে আবৃত্তিশিল্পী শহিদুল ইসলাম পাপ্পু তাঁর দরদী, সংবেদনশীল ও সুগভীর কণ্ঠের নিখুঁত বয়ানে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। কাছে না এসেও চিরকাল মনের গহীনে রয়ে যাওয়ার এই গভীর কাব্যিক অনুভব স্পর্শ করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২