বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ২০২৬ সালের শুরুতে আমাদের প্রাক্কলিত জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৬০ লাখ, যার মধ্যে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অপেক্ষায় আছেন।
০৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে আমাদের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী’র মাঝে ভিডিও সংলাপ হয়েছে। আমি তাদের এই সংলাপের প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। কথা বলবো ভারতীয় সেনাপ্রধানের পিছনের ছবিটা নিয়ে।
১৯৭৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ নীতিটি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার ঢাল হলেও ২০২৬ সালের জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় এর কৌশলগত সংস্কার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি গত চার দশক ধরে পাহাড় কাটা, অবৈধ দখল এবং অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হলেও সম্প্রতি ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি র্যাব–৭ এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়ার শাহাদাতবরণ এই সংকটের ভয়াবহতাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
৩৬ জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সীমাহীন সাহস আর আত্মত্যাগকে ভাষা দিয়েছিল দেয়ালে দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতি ও কার্টুন। ছাত্র–জনতার আন্দোলন জোরালো করতে কার্টুন যে কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা বোঝা যায় সেসময়ে আঁকা কার্টুনের সংখ্যা দেখে।
দূতাবাস হলো দুটো দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের কেন্দ্র। কূটনৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণে একটা দেশ আরেকটা দেশে দূতাবাস খোলে। কেননা এটি কূটনৈতিক আলোচনা, সমঝোতা চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সহায়তা করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কৌশলগত ভূ-খণ্ডে এক আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়, যার মূল কারিগর ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতাপরবর্তী পররাষ্ট্রনীতি যখন একটি নির্দিষ্ট আঞ্চলিক ও আদর্শিক বলয়ে আবর্তিত হচ্ছিল, তখন তিনি অনুধাবন করেন যে কেবল আবেগপ্রসূত কূটনীতি দিয়ে একটি নবজাত রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব টেকসই করা সম্ভব নয়।
গ্লোবাল ভিলেজে আমাদের বসবাস, বর্তমান যুগে একটা দেশের সাথে আরেকটা দেশের সম্পর্ক শুধু সরকারি পর্যায়ে না, দুই দেশের জনগণের মাঝেও একটা সমান্তরাল সম্পর্ক থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সমান্তরাল এই সম্পর্কটা যেন আরও একটু গাঢ়!